ভূমিকা

ব্যাস (সংস্কৃত: ব্যাসঃ), যাঁর পূর্ণ নাম কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস, হিন্দু ঐতিহ্যের সর্বাধিক পূজনীয় ঋষি এবং সভ্যতার বৌদ্ধিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের অন্যতম। তাঁকে একটি অখণ্ড, শাশ্বত বেদকে চারটি পৃথক গ্রন্থে — ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদঅথর্ববেদ — বিভক্ত করার কৃতিত্ব দেওয়া হয়, যার ফলে তাঁকে “বেদব্যাস” (“বেদের বিভাজক”) বলা হয়। এর পাশাপাশি, পরম্পরা তাঁকে মহাভারত — বিশ্বসাহিত্যের দীর্ঘতম মহাকাব্য — আঠারোটি প্রধান পুরাণ এবং ব্রহ্মসূত্র — বেদান্ত দর্শনের মৌলিক গ্রন্থ — এর রচয়িতা বলে মান্য করে (উইকিপিডিয়া, “ব্যাস”; ব্রিটানিকা, “ব্যাস”)।

ব্যাস কেবল ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব নন — হিন্দু ধর্মতত্ত্বে তাঁর অনন্য স্থান রয়েছে। তাঁকে ভগবান বিষ্ণুর অংশ অবতার মানা হয়, যিনি প্রতিটি যুগে ধর্মের জ্ঞান সংরক্ষণ ও প্রচার করতে অবতীর্ণ হন। তিনি সাতজন চিরঞ্জীবীর অন্যতম — কলিযুগেও জীবিত, নীরবে ধর্মের পথনির্দেশ করছেন। এবং তিনি আদি গুরু — আদি শিক্ষক — যাঁর সম্মানে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় গুরু পূর্ণিমা (ব্যাস পূর্ণিমা) উদযাপিত হয়।

বাংলার সাংস্কৃতিক জীবনে ব্যাসের প্রভাব অপরিসীম। কাশীরাম দাসের বাংলা মহাভারত, যা বাঙালি হিন্দু গৃহে প্রায় সর্বত্র পঠিত, সরাসরি ব্যাসের মহাকাব্য থেকে উদ্ভূত। বাংলায় “ব্যাসদেব” নামটি সর্বোচ্চ পাণ্ডিত্য ও জ্ঞানের প্রতিশব্দ।

জন্ম ও বংশ

মহাভারত (আদি পর্ব, অধ্যায় ৫৭–৬৩) ও বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে, ব্যাস ঋষি পরাশর ও ধীবর কন্যা সত্যবতীর (মৎস্যগন্ধা নামেও পরিচিত) পুত্র ছিলেন। মহর্ষি বসিষ্ঠের পৌত্র পরাশর সত্যবতীর সাথে সাক্ষাৎ করেন যমুনা নদী পার করার সময়। যোগশক্তি দ্বারা পরাশর সত্যবতীর মৎস্যগন্ধ দূর করে চারদিকে কুয়াশা ছড়িয়ে দেন। নদীর মধ্যবর্তী একটি দ্বীপে তাঁদের পুত্রের জন্ম হয়, তাই তাঁর নাম দ্বৈপায়ন (“দ্বীপে জন্মগ্রহণকারী”)। শ্যামবর্ণ হওয়ায় তাঁকে কৃষ্ণও বলা হতো।

ব্যাস জন্মের পরপরই পূর্ণ বিকশিত হয়ে বনে তপস্যায় চলে যান, মাতাকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে তিনি যখনই আহ্বান করবেন, তিনি উপস্থিত হবেন। এই প্রতিশ্রুতি পরবর্তীকালে সুদূরপ্রসারী পরিণতি বহন করে — সত্যবতী পরে কুরু রাজবংশের রাজা শান্তনুকে বিবাহ করেন এবং রাজবংশ বিলুপ্তির সংকটে পড়লে ব্যাসকে নিয়োগ প্রথার মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানান, যার ফলে ব্যাস পাণ্ডব ও কৌরব উভয়ের জৈবিক পূর্বপুরুষ হন (মহাভারত, আদি পর্ব ১০০–১০৪)।

বেদের বিভাজন

ব্যাসকে তাঁর সর্বাধিক প্রসিদ্ধ উপাধি “বেদব্যাস” দিয়েছে একক, অবিভক্ত বৈদিক জ্ঞানকে চারটি পৃথক গ্রন্থে বিভাজিত (বিভাগ) করার কাজ:

  • ঋগ্বেদ — দেবতাদের উদ্দেশে স্তুতিমন্ত্র
  • সামবেদ — যজ্ঞীয় গায়নের জন্য সামগান
  • যজুর্বেদ — অনুষ্ঠান ও যজ্ঞের জন্য গদ্যমন্ত্র
  • অথর্ববেদ — অভিচারমন্ত্র, দার্শনিক সূক্ত ও চিকিৎসামন্ত্র

বিষ্ণু পুরাণ (৩.৪–৫) অনুসারে, প্রতিটি দ্বাপর যুগের সূচনায় একজন ব্যাস আবির্ভূত হন যিনি বেদকে পুনর্বিন্যস্ত ও প্রচার করেন। বর্তমান চক্রের কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস এই ধারায় আটাশতম ব্যাস।

ব্যাস প্রতিটি বেদ একজন নিবেদিত শিষ্যকে শিক্ষা দিয়েছিলেন: ঋগ্বেদ পৈলকে, যজুর্বেদ বৈশম্পায়নকে, সামবেদ জৈমিনিকে এবং অথর্ববেদ সুমন্তুকে। এই চারটি শিষ্য-পরম্পরার (শাখা) মাধ্যমে বৈদিক জ্ঞান প্রজন্মের পর প্রজন্ম সংরক্ষিত ও প্রচারিত হয়েছে।

মহাভারত

রচনা

মহাভারত বিশ্বসাহিত্যের দীর্ঘতম মহাকাব্য — আঠারোটি পর্বে প্রায় এক লক্ষ শ্লোক, ইলিয়াডওডিসির সম্মিলিত আয়তনের প্রায় দশগুণ। ব্যাস এর রচয়িতা এবং কাহিনীর মধ্যে একজন প্রধান চরিত্রও।

মহাভারত-এর নিজস্ব বর্ণনা (আদি পর্ব ১.৫৩–৮০) অনুসারে, ব্যাস সমগ্র মহাকাব্য মনে মনে কল্পনা করেছিলেন কিন্তু তাঁর এমন একজন লিপিকারের প্রয়োজন ছিল যিনি তাঁর চিন্তার গতিতে লিখতে পারেন। তিনি ভগবান গণেশের কাছে অনুরোধ করেন, যিনি একটি শর্তে সম্মত হন — ব্যাস কখনও শ্রুতলিখনে বিরতি নেবেন না। ব্যাসও একটি প্রতিশর্ত রাখেন — গণেশ প্রতিটি শ্লোক লেখার আগে অর্থ বুঝবেন। রচনার সময় প্রয়োজন হলে ব্যাস এমন জটিল শ্লোক (কুটিলক শ্লোক) রচনা করতেন যেগুলি নিয়ে গণেশকে চিন্তা করতে হতো, ফলে ব্যাস সামনের কথা ভাবার সময় পেতেন।

ব্যাপ্তি ও তাৎপর্য

মহাভারত কেবল পাণ্ডব ও কৌরবদের যুদ্ধের কাহিনী নয়। স্বয়ং ব্যাস ঘোষণা করেছেন:

ধর্মে চার্থে চ কামে চ মোক্ষে চ ভরতর্ষভ। যদিহাস্তি তদন্যত্র, যন্নেহাস্তি ন তৎ ক্বচিৎ॥ — “ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ সম্পর্কে যা এখানে আছে তা অন্যত্রও পাওয়া যেতে পারে; কিন্তু যা এখানে নেই তা কোথাও নেই।” (আদি পর্ব ৫৬.৩৩)

এই মহাকাব্যে আইন, নীতিশাস্ত্র, দর্শন, ব্রহ্মাণ্ডবিদ্যা, বংশতালিকা, রাজনীতি ও ধর্মতত্ত্ব সবই সমাহিত। এর মধ্যে অন্তর্নিহিত ভগবদ্গীতা (ভীষ্ম পর্ব, অধ্যায় ২৫–৪২) — কুরুক্ষেত্রের রণভূমিতে ভগবান কৃষ্ণের অর্জুনকে উপদেশ — বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলির অন্যতম।

পুরাণ

হিন্দু পরম্পরা ব্যাসকে আঠারোটি প্রধান পুরাণের (মহাপুরাণ) রচয়িতা মানে। এদের মধ্যে বিষ্ণু পুরাণ, ভাগবত পুরাণ, শিব পুরাণ, মার্কণ্ডেয় পুরাণ, ব্রহ্ম পুরাণ, পদ্ম পুরাণ প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।

ভাগবত পুরাণ-এর বিশেষ স্থান রয়েছে। এর নিজস্ব আখ্যান (ভাগবত পুরাণ ১.৪–৭) অনুসারে, মহাভারত ও অন্যান্য পুরাণ রচনার পরেও ব্যাসের অসম্পূর্ণতা ও অতৃপ্তির বোধ হয়েছিল। নারদ মুনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে সমস্যার নিদান করেন: ব্যাস এখনও ভগবান বিষ্ণুর কৃষ্ণরূপের লীলার পূর্ণ বর্ণনা করেননি। নারদের অনুপ্রেরণায় ব্যাস ভাগবত পুরাণ রচনা করেন, যা তাঁর পুত্র শুকদেবকে শিক্ষা দেন।

বাংলায় ভাগবত পুরাণ-এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে — চৈতন্য মহাপ্রভু ও গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় এই গ্রন্থকে সর্বোচ্চ শাস্ত্র হিসেবে মান্য করেন এবং এর ভিত্তিতে কৃষ্ণভক্তির দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ব্রহ্মসূত্র

ব্রহ্মসূত্র (যাকে বেদান্তসূত্র বা উত্তর মীমাংসা সূত্রও বলা হয়) বাদরায়ণকে দেওয়া হয়, যাঁকে হিন্দু পরম্পরা ব্যাসের সাথে অভিন্ন মানে। চারটি অধ্যায়ে ৫৫৫টি সংক্ষিপ্ত সূত্র সম্বলিত এই গ্রন্থ উপনিষদের ব্রহ্মবিষয়ক দার্শনিক শিক্ষাসমূহকে সুসংবদ্ধ করে।

ব্রহ্মসূত্র, উপনিষদ ও ভগবদ্গীতা মিলে প্রস্থানত্রয়ী গঠন করে — বেদান্ত দর্শনের “ত্রিবিধ ভিত্তি”। প্রতিটি প্রধান বেদান্ত দার্শনিক — শঙ্করাচার্য, রামানুজ, মধ্বাচার্য, বল্লভাচার্য ও নিম্বার্কাচার্য — ব্রহ্মসূত্রের ওপর ভাষ্য লিখেছেন।

আদি গুরু হিসেবে ব্যাস: গুরু পূর্ণিমা

হিন্দু আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় পালিত গুরু পূর্ণিমাকে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়। এটি ব্যাসের জন্মতিথি এবং সব গুরুদের (আধ্যাত্মিক শিক্ষকদের) সম্মানের দিন হিসেবে উদযাপিত হয়। ব্যাস আদি গুরু — আদি ও সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক, যাঁর থেকে সমস্ত আধ্যাত্মিক বংশপরম্পরা চূড়ান্তভাবে উদ্ভূত।

ঐতিহ্যবাহী গুরু বন্দনা:

ব্যাসায় বিষ্ণুরূপায় ব্যাসরূপায় বিষ্ণবে। নমো বৈ ব্রহ্মনিধয়ে বাসিষ্ঠায় নমো নমঃ॥

বাংলায় গুরু পূর্ণিমা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। গৌড়ীয় বৈষ্ণব ঐতিহ্যে এই দিনটিতে গুরু-শিষ্য পরম্পরার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, এবং ব্যাসদেবকে সমস্ত গুরুদের মূল উৎস হিসেবে স্মরণ করা হয়।

চিরঞ্জীবী হিসেবে ব্যাস

হিন্দু পরম্পরা ব্যাসকে সাতজন চিরঞ্জীবীর মধ্যে গণনা করে — অমর সত্তা যাঁরা বর্তমান কলিযুগেও জীবিত। অন্যান্য চিরঞ্জীবীদের মধ্যে হনুমান, পরশুরাম, বিভীষণ, অশ্বত্থামা, বলি ও কৃপাচার্য অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাসের অমরত্বের গভীর ধর্মতাত্ত্বিক তাৎপর্য রয়েছে: বৈদিক জ্ঞানের সংরক্ষক কখনো মরেন না — ধর্ম কখনো অরক্ষিত থাকে না।

মহাভারত কাহিনীতে ব্যাস

রচয়িতা হওয়ার পাশাপাশি, ব্যাস মহাভারত-এর কাহিনীতে একজন নির্ণায়ক চরিত্রও:

  • কুরু বংশের পিতা: সৎভাই বিচিত্রবীর্যের বিধবাদের সাথে নিয়োগ-এর মাধ্যমে ব্যাস ধৃতরাষ্ট্র, পাণ্ডু ও বিদুরকে জন্ম দেন।
  • পাণ্ডবদের পরামর্শদাতা: বনবাস ও যুদ্ধকালে ব্যাস যুধিষ্ঠির ও তাঁর ভাইদের কৌশলগত ও নৈতিক পথনির্দেশ দিতে আবির্ভূত হতেন।
  • দিব্যদৃষ্টি প্রদানকারী: ব্যাস সঞ্জয়কে যুদ্ধ বর্ণনার জন্য এবং পরে ধৃতরাষ্ট্রকে গঙ্গাতীরে মৃত যোদ্ধাদের আত্মা দর্শনের জন্য দিব্যদৃষ্টি প্রদান করেন।

ব্যাসের পরিবার

ব্যাসের পুত্র শুকদেব স্বয়ং হিন্দু ঐতিহ্যের সর্বাধিক পূজনীয় ব্যক্তিত্বদের অন্যতম। শুকদেব জন্ম থেকেই জীবন্মুক্ত ছিলেন। তিনি ভাগবত পুরাণ-এর বক্তা যিনি রাজা পরীক্ষিতকে সাত দিনে এই গ্রন্থ শুনিয়েছিলেন।

মহাভারত (শান্তি পর্ব ৩১৯–৩২০)-তে বর্ণিত আছে যে শুকদেব চূড়ান্ত মুক্তি লাভ করে তত্ত্বে বিলীন হয়ে গেলে, সর্বজ্ঞ ব্যাস শোকে পুত্রকে ডাকেন। পর্বত, নদী ও বৃক্ষ — শুকের আত্মায় ব্যাপ্ত হওয়ায় — তাঁর পক্ষে উত্তর দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গ দেখায় যে সকল জ্ঞানের সংকলনকর্তাও প্রেমের বন্ধন থেকে মুক্ত নন।

উত্তরাধিকার ও প্রভাব

ভারতীয় সভ্যতায় ব্যাসের প্রভাব অপরিমেয়। তাঁর রচনাসমূহ হিন্দু শাস্ত্রীয় সাহিত্যের ভিত্তি:

  • চার বেদ সমস্ত হিন্দু দার্শনিক ও আচারগত পরম্পরায় সর্বোচ্চ প্রমাণ (শ্রুতি) হিসেবে রয়ে গেছে।
  • মহাভারত, ভগবদ্গীতা সহ, দুই সহস্রাব্দেরও বেশি সময় ধরে ভারত ও বিশ্বের নৈতিক, রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনাকে গড়ে দিয়েছে।
  • আঠারোটি পুরাণ সেই পৌরাণিক ও ব্রহ্মাণ্ডীয় কাঠামো প্রদান করে যার মধ্যে অধিকাংশ হিন্দু ব্রহ্মাণ্ড, দেবতা ও জীবনের উদ্দেশ্য বোঝেন।
  • ব্রহ্মসূত্র বেদান্তের ভিত্তিশিলা — হিন্দু ধর্মের প্রধান দার্শনিক পরম্পরা।

বাংলার দৃষ্টিকোণ থেকে, কাশীরাম দাসের মহাভারত অনুবাদ বাঙালি সংস্কৃতিতে ব্যাসের কাব্যকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। “ব্যাসদেবের কথা” বাংলায় চূড়ান্ত জ্ঞান ও প্রামাণিকতার প্রতিশব্দ।

উপসংহার

কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস হিন্দু বৌদ্ধিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের মূল উৎসে অবস্থিত। তিনি বেদ বিভক্ত করেছিলেন যাতে মানুষ তা বুঝতে পারে। তিনি মহাভারত রচনা করেছিলেন যাতে ধর্মের নাটক তার সমস্ত জটিলতায় দৃশ্যমান হয়। তিনি পুরাণ প্রণয়ন করেছিলেন যাতে পুরাকথা দর্শনকে আলোকিত করে। তিনি ব্রহ্মসূত্র লিখেছিলেন যাতে উপনিষদের শিক্ষাসমূহকে সুসংবদ্ধ ও বিশ্লেষিত করা যায়। এবং এই সবকিছুর মধ্যে তিনি ছিলেন নিঃস্বার্থ শিক্ষক — আদি গুরু — যাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞানের সংরক্ষণ ও প্রচার।

যেমন ঐতিহ্যবাহী আহ্বান ঘোষণা করে:

ব্যাসং বসিষ্ঠনপ্তারং শক্তেঃ পৌত্রমকল্মষম্। পরাশরাত্মজং বন্দে শুকতাতং তপোনিধিম্॥

ব্যাসে হিন্দু ধর্ম তার সর্বোচ্চ সংকলনকর্তা, কথাকার, দার্শনিক এবং ধর্মের চিরকালীন সংরক্ষক খুঁজে পায়।